ধামরাইয়ে অটো চুরি, সালিশের রায় অনুযায়ী জরিমানা দিতে তালবাহানা
ধামরাইয়ের শরীফবাগ বাজার এলাকায় অটো চুরির ঘটনায় স্থানীয় সালিশে জরিমানা নির্ধারণ হলেও দীর্ঘ সময় পার হলেও টাকা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় অভিযুক্তর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ভুক্তভোগী ইসরাফিল জানান, গত ৮ মে সকালে শরীফবাগ বাজারে আক্কাস আলীর গ্যারেজ থেকে তার অটোগাড়িটি চুরি হয়। তবে গ্যারেজের কোনো তালা ভাঙা বা ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা যায়, গ্যারেজের তালা খুলেই গাড়িটি বের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগের পর স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ গত ১৫ মে সালিশে সিদ্ধান্ত হয় যে, গ্যারেজ মালিক আক্কাস আলী ভুক্তভোগীকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করবেন।
সালিশে উপস্থিত ছিলেন শরীফবাগ সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মানছুর, মহাসিন মেম্বার, আব্দুস সালাম মেম্বার, সালমা মেম্বার এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাকিলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
তবে অভিযোগ রয়েছে, সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ মে টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত প্রায় এক মাস ১১ দিন পার হলেও কোনো টাকা পরিশোধ করা হয়নি। বরং বিভিন্ন অজুহাত ও তালবাহানা করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ইসরাফিল আরও অভিযোগ করেন, টাকা চাইতে গেলে আক্কাস আলী বিএনপি নেতা শামসুল ইসলামের নাম ভাঙিয়ে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
ভুক্তভোগী ইসরাফিল বলেন, “সালিশের রায় মেনেও তারা টাকা দিচ্ছে না। দ্রুত টাকা পরিশোধ না করলে আমি আইনের আশ্রয় নিয়ে মামলা করবো।”
তবে এ বিষয়ে বিএনপি নেতা শামসুল ইসলাম বলেন, “এই ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
ধামরাইয়ে অটো চুরি, সালিশের রায় অনুযায়ী জরিমানা দিতে তালবাহানা
ধামরাইয়ের শরীফবাগ বাজার এলাকায় অটো চুরির ঘটনায় স্থানীয় সালিশে জরিমানা নির্ধারণ হলেও দীর্ঘ সময় পার হলেও টাকা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় অভিযুক্তর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ভুক্তভোগী ইসরাফিল জানান, গত ৮ মে সকালে শরীফবাগ বাজারে আক্কাস আলীর গ্যারেজ থেকে তার অটোগাড়িটি চুরি হয়। তবে গ্যারেজের কোনো তালা ভাঙা বা ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা যায়, গ্যারেজের তালা খুলেই গাড়িটি বের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগের পর স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ গত ১৫ মে সালিশে সিদ্ধান্ত হয় যে, গ্যারেজ মালিক আক্কাস আলী ভুক্তভোগীকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করবেন।
সালিশে উপস্থিত ছিলেন শরীফবাগ সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মানছুর, মহাসিন মেম্বার, আব্দুস সালাম মেম্বার, সালমা মেম্বার এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাকিলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
তবে অভিযোগ রয়েছে, সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ মে টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত প্রায় এক মাস ১১ দিন পার হলেও কোনো টাকা পরিশোধ করা হয়নি। বরং বিভিন্ন অজুহাত ও তালবাহানা করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ইসরাফিল আরও অভিযোগ করেন, টাকা চাইতে গেলে আক্কাস আলী বিএনপি নেতা শামসুল ইসলামের নাম ভাঙিয়ে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
ভুক্তভোগী ইসরাফিল বলেন, “সালিশের রায় মেনেও তারা টাকা দিচ্ছে না। দ্রুত টাকা পরিশোধ না করলে আমি আইনের আশ্রয় নিয়ে মামলা করবো।”
তবে এ বিষয়ে বিএনপি নেতা শামসুল ইসলাম বলেন, “এই ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”

আপনার মতামত লিখুন