রিপোর্টাস নিউজ

রোনো রাউটার / পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

রোনো রাউটারকে Access Point (AP) Mode এ চালিয়ে ইথারনেট কেবলের মাধ্যমে মূল রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এতে নেটওয়ার্কের গতি ও স্থায়িত্ব বেশি থাকবে। এর জন্য রাউটার রিসেট করে, ফার্মওয়্যার আপডেট করে, LAN থেকে WAN-এ কেবল সংযোগ দিয়ে ওয়েব সেটিংসে গিয়ে AP মোড চালু করতে হবে। ২. রিপিটার মোডে তারহীন সংযোগ যদি তার টানার সুযোগ না থাকে, তাহলে রিপিটার মোড ব্যবহার করুন। এতে পুরোনো রাউটার মূল ওয়াই-ফাই সংকেত ধরবে এবং নতুন নামে পুনঃসম্প্রচার করবে। তবে মনে রাখবেন, এতে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমে যায়-প্রায় অর্ধেক হতে পারে। ৩. প্রতিটি রাউটারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে সব রাউটার AP বা রিপিটার মোড সমর্থন করে না। তাই রাউটারের ইউজার ম্যানুয়াল বা নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে নির্দেশনা দেখে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি ফার্মওয়্যার (যেমন: DD-WRT) ব্যবহার করেও বাড়তি ফিচার চালু করা সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

অন্যদিকে একই বয়সি ছেলেদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র প্রতি ১০ জনে একজন। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের পাবলিক হেলথ ওয়েলস (PHW) ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি।গবেষণায় দেখা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দশম শ্রেণির ১৪-১৫ বছর বয়সি ২১ শতাংশ মেয়ে এবং নবম শ্রেণির ১৩-১৪ বছর বয়সি ২০.৫ শতাংশ মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে জানায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে একই বয়সে এ হার যথাক্রমে ১০.১ এবং ৯.৮ শতাংশ। ১৩ বছর বয়সি লয়েস জানায়, ‘কখনো কখনো শুধু সময় কাটানোর জন্য ফোন হাতে নিই। কিন্তু বুঝতেই পারি না কখন দুই ঘণ্টা পেরিয়ে যায়! এটা মাঝেমধ্যে ভয় পাইয়ে দেয়।’ গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকে জানিয়েছে, খেলাধুলা বা শখের কাজ বাদ দিয়ে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিচ্ছে।পিএইচডব্লিও-এর স্বাস্থ্য উন্নয়ন পরামর্শক এমিলি ভ্যান দে ভেনটার জানান, মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি সময় রাতেও ডিভাইস ব্যবহার করে এবং বেশি রিপোর্ট করে যে তারা সাইবার বুলিয়িংয়ের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু সুবিধা থাকলেও টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্যর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আত্মমূল্যায়নের ঘাটতির পেছনে এটি একটি বড় ভূমিকা রাখছে।’ তিনি আরও পরামর্শ দেন, রাতে ডিভাইসের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, ঘুমানোর ঘরে ফোন না রাখা এবং ঘুমের আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করার অভ্যাস তৈরি করলে সমস্যা কিছুটা কমে আসতে পারে। জরিপটিতে সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এটি কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক, স্কুল জীবন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিককে ঘিরে সবচেয়ে বৃহৎ ও তথ্যবহুল জরিপগুলোর একটি

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর
রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রোনো রাউটার / পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

রোনো রাউটারকে Access Point (AP) Mode এ চালিয়ে ইথারনেট কেবলের মাধ্যমে মূল রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এতে নেটওয়ার্কের গতি ও স্থায়িত্ব বেশি থাকবে। এর জন্য রাউটার রিসেট করে, ফার্মওয়্যার আপডেট করে, LAN থেকে WAN-এ কেবল সংযোগ দিয়ে ওয়েব সেটিংসে গিয়ে AP মোড চালু করতে হবে। ২. রিপিটার মোডে তারহীন সংযোগ যদি তার টানার সুযোগ না থাকে, তাহলে রিপিটার মোড ব্যবহার করুন। এতে পুরোনো রাউটার মূল ওয়াই-ফাই সংকেত ধরবে এবং নতুন নামে পুনঃসম্প্রচার করবে। তবে মনে রাখবেন, এতে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমে যায়-প্রায় অর্ধেক হতে পারে। ৩. প্রতিটি রাউটারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে সব রাউটার AP বা রিপিটার মোড সমর্থন করে না। তাই রাউটারের ইউজার ম্যানুয়াল বা নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে নির্দেশনা দেখে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি ফার্মওয়্যার (যেমন: DD-WRT) ব্যবহার করেও বাড়তি ফিচার চালু করা সম্ভব।

ধামরাইয়ে জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ধামরাইয়ে জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে ধামরাই থানা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন টিপুর নেতৃত্বে এ আয়োজন করা হয়। ধামরাই থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সুজন মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মোহন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ধামরাই পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ খান বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। বক্তারা জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহতদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মোফাজ্জল হোসেন টিপু উপস্থিত সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন চান। তিনি বলেন, একজন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনগণের সেবা করার সুযোগ পেলে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চান। সেই সঙ্গে তিনি শহীদদের হত্যার বিচার দাবি করেন এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে দেশ, জাতি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল শেষ হয়।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ধামরাইয়ে জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ধামরাইয়ে জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে ধামরাই থানা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন টিপুর নেতৃত্বে এ আয়োজন করা হয়। ধামরাই থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সুজন মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মোহন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ধামরাই পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ খান বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। বক্তারা জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহতদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মোফাজ্জল হোসেন টিপু উপস্থিত সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন চান। তিনি বলেন, একজন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনগণের সেবা করার সুযোগ পেলে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চান। সেই সঙ্গে তিনি শহীদদের হত্যার বিচার দাবি করেন এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে দেশ, জাতি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল শেষ হয়।

সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠনসাব্বির মৃধা(ধামরাই প্রতিনিধি)ঢাকার ধামরাইয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকাশের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৪টায় ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পূর্ববর্তী কার্যনির্বাহী কমিটির দুই বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে মো. জাহিদুর রহমানকে আহ্বায়ক, মো. মিজানুর রহমানকে ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক, মো. মাসুদ রানাকে ২নং যুগ্ম আহ্বায়ক, মো. মশিউজ্জামান মুবীনকে সদস্য সচিব এবং মো. সোলাইমান হোসেনকে ১নং যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে।এছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. মনিরুজ্জামান, মো. আলামিন, মো. বাবু শেখ, মো. জাহিদুর রহমান, মো. নান্নু মিয়া এবং মো. হাবিবুর রহমান।সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আহ্বায়ক কমিটি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্য তালিকা হালনাগাদ, গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা, নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবে।নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ ধামরাই উপজেলার সকল সাংবাদিকের সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করে বলেন, সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ, জবাবদিহিমূলক, পেশাদার ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবকে প্রতিষ্ঠিত করতে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

ধামরাইয়ে জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ধামরাইয়ে জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ধামরাইয়ে জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে ধামরাই থানা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন টিপুর নেতৃত্বে এ আয়োজন করা হয়। ধামরাই থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সুজন মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মোহন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ধামরাই পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ খান বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। বক্তারা জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহতদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মোফাজ্জল হোসেন টিপু উপস্থিত সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন চান। তিনি বলেন, একজন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনগণের সেবা করার সুযোগ পেলে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চান। সেই সঙ্গে তিনি শহীদদের হত্যার বিচার দাবি করেন এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে দেশ, জাতি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল শেষ হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর মন্তব্যের প্রতিবাদে ধামরাইয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর মন্তব্যের প্রতিবাদে ধামরাইয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর মন্তব্যের প্রতিবাদে ধামরাইয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকার ধামরাই উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে তাকে ধামরাই উপজেলায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।বিক্ষোভ মিছিলটি ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফিরদৌস মুরাদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তার বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচার পরিপন্থী। এ ধরনের বক্তব্য পরিহার করে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তারা।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠনসাব্বির মৃধা(ধামরাই প্রতিনিধি)ঢাকার ধামরাইয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকাশের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৪টায় ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পূর্ববর্তী কার্যনির্বাহী কমিটির দুই বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে মো. জাহিদুর রহমানকে আহ্বায়ক, মো. মিজানুর রহমানকে ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক, মো. মাসুদ রানাকে ২নং যুগ্ম আহ্বায়ক, মো. মশিউজ্জামান মুবীনকে সদস্য সচিব এবং মো. সোলাইমান হোসেনকে ১নং যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে।এছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. মনিরুজ্জামান, মো. আলামিন, মো. বাবু শেখ, মো. জাহিদুর রহমান, মো. নান্নু মিয়া এবং মো. হাবিবুর রহমান।সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আহ্বায়ক কমিটি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্য তালিকা হালনাগাদ, গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা, নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবে।নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ ধামরাই উপজেলার সকল সাংবাদিকের সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করে বলেন, সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ, জবাবদিহিমূলক, পেশাদার ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবকে প্রতিষ্ঠিত করতে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠনসাব্বির মৃধা(ধামরাই প্রতিনিধি)ঢাকার ধামরাইয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকাশের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৪টায় ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পূর্ববর্তী কার্যনির্বাহী কমিটির দুই বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে মো. জাহিদুর রহমানকে আহ্বায়ক, মো. মিজানুর রহমানকে ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক, মো. মাসুদ রানাকে ২নং যুগ্ম আহ্বায়ক, মো. মশিউজ্জামান মুবীনকে সদস্য সচিব এবং মো. সোলাইমান হোসেনকে ১নং যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে।এছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. মনিরুজ্জামান, মো. আলামিন, মো. বাবু শেখ, মো. জাহিদুর রহমান, মো. নান্নু মিয়া এবং মো. হাবিবুর রহমান।সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আহ্বায়ক কমিটি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্য তালিকা হালনাগাদ, গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা, নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবে।নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ ধামরাই উপজেলার সকল সাংবাদিকের সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করে বলেন, সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ, জবাবদিহিমূলক, পেশাদার ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবকে প্রতিষ্ঠিত করতে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।