রিপোর্টাস নিউজ

অপরাধ

ইয়ারপুর ইউপিতে রাজস্ব হিসাব নিয়ে প্রশ্ন, সচিব আফজালকে ঘিরে অভিযোগ

ইয়ারপুর ইউপিতে রাজস্ব হিসাব নিয়ে প্রশ্ন, সচিব আফজালকে ঘিরে অভিযোগ

ইয়ারপুর ইউপিতে রাজস্ব হিসাব নিয়ে প্রশ্ন, সচিব আফজালকে ঘিরে অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ার ৪ নম্বর ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আফজাল হোসেনকে ঘিরে ট্রেড লাইসেন্স ও কর আদায়ে অসঙ্গতি, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং রাজস্ব হিসাবের গরমিলসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নথিতে উল্লেখিত অর্থের চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে রশিদ, ভাউচার, রাজস্ব রেজিস্টার, অনলাইন রেকর্ড ও ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।

একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নথিতে মোট ১০ হাজার ২৩০ টাকা থাকলেও ৮০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিপরীতে রশিদে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া প্রশাসক পরিবর্তন, কথিত বদলি ঠেকাতে ১০–১২ লাখ টাকা লেনদেন, বহিরাগত ব্যক্তিকে দাপ্তরিক কাজে সম্পৃক্ত করা এবং প্রাইভেটকার ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ইউনিয়ন পরিষদের সব রাজস্ব আদায়ের পূর্ণাঙ্গ অডিট এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে সচিবের কথিত সম্পদের মালিকানা ও অর্থের উৎসও সরকারি নথির মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ সত্য না হলে তদন্তের মাধ্যমে তা পরিষ্কার করার দাবি তাদের।

আপনার মতামত লিখুন

রিপোর্টাস নিউজ

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


ইয়ারপুর ইউপিতে রাজস্ব হিসাব নিয়ে প্রশ্ন, সচিব আফজালকে ঘিরে অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইয়ারপুর ইউপিতে রাজস্ব হিসাব নিয়ে প্রশ্ন, সচিব আফজালকে ঘিরে অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ার ৪ নম্বর ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আফজাল হোসেনকে ঘিরে ট্রেড লাইসেন্স ও কর আদায়ে অসঙ্গতি, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং রাজস্ব হিসাবের গরমিলসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নথিতে উল্লেখিত অর্থের চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে রশিদ, ভাউচার, রাজস্ব রেজিস্টার, অনলাইন রেকর্ড ও ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।


একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নথিতে মোট ১০ হাজার ২৩০ টাকা থাকলেও ৮০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিপরীতে রশিদে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া প্রশাসক পরিবর্তন, কথিত বদলি ঠেকাতে ১০–১২ লাখ টাকা লেনদেন, বহিরাগত ব্যক্তিকে দাপ্তরিক কাজে সম্পৃক্ত করা এবং প্রাইভেটকার ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।


স্থানীয়দের দাবি, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ইউনিয়ন পরিষদের সব রাজস্ব আদায়ের পূর্ণাঙ্গ অডিট এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে সচিবের কথিত সম্পদের মালিকানা ও অর্থের উৎসও সরকারি নথির মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ সত্য না হলে তদন্তের মাধ্যমে তা পরিষ্কার করার দাবি তাদের।


রিপোর্টাস নিউজ

সম্পাদকঃ মোঃ সাব্বির মৃধা (বিবিএ অর্নাস)
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত রিপোর্টাস নিউজ