আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত — মো. আব্দুল বারেক
সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই যে, উক্ত প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম, পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা থেকেই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।
আমি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সরকারি দায়িত্ব পালন করে আসছি। চাকরি জীবনে জনগণের সেবা প্রদান, সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে আমি সর্বদা আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করেছি। আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব দুর্নীতি, অনিয়ম, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনোটিরই বাস্তব ভিত্তি নেই।
প্রতিবেদনে আমাকে একজন ১৪তম গ্রেডের কর্মচারী হিসেবে উপস্থাপন করে আমার সম্পদ ও জীবনযাপন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বাস্তবে আমার ও আমার পরিবারের সম্পদ, আয় এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তার অধিকাংশই যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রকাশিত হয়েছে। আমার নামে কিংবা আমার পরিবারের নামে থাকা যেকোনো সম্পদ বৈধ উপায়ে অর্জিত এবং প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে।
বিশেষভাবে একটি বহুতল ভবন নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ভবন নির্মাণ, জমি ক্রয় বা সম্পদ অর্জনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি এ বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা যাচাই করা যেতে পারে। অথচ সংবাদ প্রকাশের পূর্বে যথাযথ অনুসন্ধান বা নথিপত্র যাচাইয়ের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আমার জানা নেই।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে যে, আমি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছি। এই অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমি সর্বদা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেছি। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পরিচিতি থাকলেও তা কখনো সরকারি দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলেনি এবং এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণও প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়নি।
আমার বদলি, পদায়ন এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত থাকার বিষয়টিকেও নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সরকারি চাকরিতে বদলি ও পদায়ন একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেছি। এটিকে অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার কোনো সুযোগ নেই।
প্রতিবেদনে কয়েকজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে কিংবা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে নানা অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে তার সত্যতা যাচাই করা এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য যথাযথভাবে তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রকাশিত প্রতিবেদনে আমার বক্তব্য আংশিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং অভিযোগের বিপরীতে কোনো তথ্য বা নথি যাচাই করা হয়নি। ফলে সংবাদটি একপাক্ষিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতীয়মান হয়।
আমি বিশ্বাস করি, একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আমি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশ করে এবং আমার এই প্রতিবাদলিপিটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করে।
একই সঙ্গে আমি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্থানীয় সরকার বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছি। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত যেকোনো অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হোক। আমি তদন্তে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সত্য উদঘাটিত হলে জনগণ প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবেন এবং অপপ্রচারের অবসান ঘটবে।
পরিশেষে বলতে চাই, ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে কিংবা কোনো বিশেষ মহলের ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তাতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তবে আমি আইন, ন্যায়বিচার এবং সত্যের প্রতি আস্থাশীল। আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সচেতন জনগণ প্রকৃত সত্য অনুধাবন করবেন এবং মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে যথাযথ অবস্থান গ্রহণ করবেন।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত — মো. আব্দুল বারেক
সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই যে, উক্ত প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম, পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা থেকেই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।
আমি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সরকারি দায়িত্ব পালন করে আসছি। চাকরি জীবনে জনগণের সেবা প্রদান, সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে আমি সর্বদা আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করেছি। আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব দুর্নীতি, অনিয়ম, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনোটিরই বাস্তব ভিত্তি নেই।
প্রতিবেদনে আমাকে একজন ১৪তম গ্রেডের কর্মচারী হিসেবে উপস্থাপন করে আমার সম্পদ ও জীবনযাপন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বাস্তবে আমার ও আমার পরিবারের সম্পদ, আয় এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তার অধিকাংশই যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রকাশিত হয়েছে। আমার নামে কিংবা আমার পরিবারের নামে থাকা যেকোনো সম্পদ বৈধ উপায়ে অর্জিত এবং প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে।
বিশেষভাবে একটি বহুতল ভবন নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ভবন নির্মাণ, জমি ক্রয় বা সম্পদ অর্জনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি এ বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা যাচাই করা যেতে পারে। অথচ সংবাদ প্রকাশের পূর্বে যথাযথ অনুসন্ধান বা নথিপত্র যাচাইয়ের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আমার জানা নেই।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে যে, আমি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছি। এই অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমি সর্বদা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেছি। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পরিচিতি থাকলেও তা কখনো সরকারি দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলেনি এবং এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণও প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়নি।
আমার বদলি, পদায়ন এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত থাকার বিষয়টিকেও নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সরকারি চাকরিতে বদলি ও পদায়ন একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেছি। এটিকে অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার কোনো সুযোগ নেই।
প্রতিবেদনে কয়েকজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে কিংবা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে নানা অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে তার সত্যতা যাচাই করা এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য যথাযথভাবে তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রকাশিত প্রতিবেদনে আমার বক্তব্য আংশিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং অভিযোগের বিপরীতে কোনো তথ্য বা নথি যাচাই করা হয়নি। ফলে সংবাদটি একপাক্ষিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতীয়মান হয়।
আমি বিশ্বাস করি, একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আমি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশ করে এবং আমার এই প্রতিবাদলিপিটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করে।
একই সঙ্গে আমি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্থানীয় সরকার বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছি। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত যেকোনো অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হোক। আমি তদন্তে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সত্য উদঘাটিত হলে জনগণ প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবেন এবং অপপ্রচারের অবসান ঘটবে।
পরিশেষে বলতে চাই, ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে কিংবা কোনো বিশেষ মহলের ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তাতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তবে আমি আইন, ন্যায়বিচার এবং সত্যের প্রতি আস্থাশীল। আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সচেতন জনগণ প্রকৃত সত্য অনুধাবন করবেন এবং মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে যথাযথ অবস্থান গ্রহণ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন