ধামরাইয়ে সংঘর্ষ: ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭২ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১
ঢাকার ধামরাইয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমার অনুসারীদের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারির ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় রোমাকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি সোহেল মাহমুদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং রোববার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বাদী সুতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, শনিবার বাথুলী বাসস্ট্যান্ডের পাশে ইসলামিয়া হোটেলের সামনে থেকে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীদের কথিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে বালিথা বাসস্ট্যান্ডে মিছিলের সমাপ্তি বক্তব্য চলাকালে রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমার নেতৃত্বে কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীকে লাঠি, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধরের অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রোমার মেয়ের জামাতা জাহিদুর ইসলাম বাবুসহ কয়েকজন রয়েছেন। মো. বাবুল হোসেন নামে একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ ঘটনার পর রমিজুর রহমান রোমা সাংবাদিকদের সামনে ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনকে প্রকাশ্যে মারামারি করার চ্যালেঞ্জ দেন। পরে রোববার দুপুরে রোমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন। ধামরাই থানার ওসি মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
ধামরাইয়ে সংঘর্ষ: ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭২ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১
ঢাকার ধামরাইয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমার অনুসারীদের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারির ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় রোমাকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি সোহেল মাহমুদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং রোববার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বাদী সুতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, শনিবার বাথুলী বাসস্ট্যান্ডের পাশে ইসলামিয়া হোটেলের সামনে থেকে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীদের কথিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে বালিথা বাসস্ট্যান্ডে মিছিলের সমাপ্তি বক্তব্য চলাকালে রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমার নেতৃত্বে কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীকে লাঠি, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধরের অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রোমার মেয়ের জামাতা জাহিদুর ইসলাম বাবুসহ কয়েকজন রয়েছেন। মো. বাবুল হোসেন নামে একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ ঘটনার পর রমিজুর রহমান রোমা সাংবাদিকদের সামনে ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনকে প্রকাশ্যে মারামারি করার চ্যালেঞ্জ দেন। পরে রোববার দুপুরে রোমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন। ধামরাই থানার ওসি মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন